Recent Posts

6/recent/ticker-posts

যোগানন্দের_বিশ্বজয় (৭ম ও আপাতত শেষ পর্ব)

 



যোগানন্দের_বিশ্বজয় (৭ম ও আপাতত শেষ পর্ব)

 

*#যোগানন্দ পাশ্চাত্যে ক্রিয়াযোগ প্রচারের জন্য ১৯২০ সালে আমেরিকা চলে যান এবং ১৯২৫ সালে ক্যালিফোর্ণিয়ার লস এ্যঞ্জেলসে Self-Realisation Fellowship (SRF)-এর আন্তর্জাতিক সদর দপ্তরের প্রশাসনিক ভবন স্থাপন করেন। দ্রোনগিরির কাছে অবস্থিত ‘লাহিড়ী মহাশয়ের গুহা’ এই SRF-এর উদ্যোগেই প্রচার লাভ করেছে।

 

*#দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের কাছে গঙ্গাতীরে এক প্রশান্ত পরিবেশে ১৯৩৯ সালে যোগানন্দ কর্তৃক স্থাপিত হয়েছিল যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটির (YSS) ভারতের রেজিস্টার্ড অফিস। সেখানে রয়েছে যোগদা মঠ। এটি সর্বসাধারণের জন্য মুক্ত। এখানে ধ্যানকক্ষের নিবিড় শান্ত পরিবেশে কিছুক্ষণ কাটালে মন বিক্ষেপ মুক্ত হয়ে আপনিই স্থির হয়ে আসে।

 

*#তাঁর মৃত্যুও অদ্ভুত সহজ। ১৯৫২ সালের ৭ই মার্চ লস অ্যাঞ্জেলেসে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিনয়রঞ্জন সেনের আয়োজিত নৈশভোজে বক্তৃতা দিলেন ভারত-আমেরিকা মৈত্রী ও বিশ্বশান্তি নিয়ে, নিজের লেখা কবিতা থেকে পড়লেন, ‘যেখানে গঙ্গা, অরণ্য, হিমালয়ের গুহাকন্দর ও মানুষ ঈশ্বরকে খোঁজে, আমি ধন্য, ছুঁয়েছি সেই মাটি!’ ভ্রু-মধ্যে উত্থিত দৃষ্টি, তার পরেই ঢলে পড়ল প্রবাসে ভারতীয় যোগের অঘোষিত ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরের শরীর।

 

*#শরীর গিয়েছে, রয়ে গিয়েছে তাঁর সাধন। ‘বিটলস’ ভারতে এলে জর্জ হ্যারিসনের হাতে রবিশংকর তুলে দিয়েছিলেন যোগানন্দেরই বই। স্টিভ জোবস নাকি ভারতবর্ষকে জেনেছিলেন ‘অটোবায়োগ্রাফি অব আ যোগী’ পড়েই। ২০১১-তে মৃত্যুর পর তাঁর স্মরণসভায় উপস্থিত সবার জন্য ‘শেষ উপহার’ ছিল এই বই, জোবসেরই ইচ্ছানুযায়ী! সংগঠনের বহতা ধারার সমান্তরালে এও তো এক প্রভাব-পরম্পরা

✍️ ব্যাখ্যাঃ রতন কর্মকার +8801715982155 (whatsapp)

Post a Comment

0 Comments