যোগানন্দের_বিশ্বজয় (৪র্থ পর্ব)
*#Please_join_this_group:
★ক্রিয়াযোগে ঈশ্বরলাভ★
https://www.facebook.com/groups/353473076140599/?ref=share
*#সংসারেই সন্ন্যাসী, যোগীরাজ শ্যামাচরণ ক্রিয়াযোগের শিক্ষা পেয়েছিলেন তাঁর গুরু বাবাজি মহারাজের থেকে। তখন তিনি দুই সন্তানের পিতা, ইংরেজ সরকারের সামরিক পূর্ত বিভাগের হিসাবরক্ষকের চাকরি করেন। হিমালয়ের অন্তরাল থেকে যোগ এল ঘরে ঘরে, লাহিড়ীমশাইয়ের হাত ধরে।
*#সেই যোগকেই বিদেশে, বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠা দিলেন মুকুন্দ তথা যোগানন্দ। মাঝখানে আর একটি সেতু, তিনি যোগানন্দের গুরু, লাহিড়ীমশাইয়ের শিষ্য শ্রী যুক্তেশ্বর গিরি। শ্যামাচরণ লাহিড়ির শিষ্য যুক্তেশ্বর গিরিজি খুবই উচ্চমার্গের ক্রিয়াযোগ সাধক ছিলেন। পুরীর স্বর্গদ্বারে রয়েছে তাঁর সমাধি মন্দির।
*#শ্রীরামপুর নিবাসী এই সন্ন্যাসীর সঙ্গে যোগাযোগও অদ্ভুত ঘটনা। স্কুলবেলা থেকেই মুকুন্দ জানেন, গুরুর সন্ধান পাবেন তিনি কোনও এক দিন। যেখানে সাধুসন্তের খোঁজ পান ধেয়ে যান। সবাই ফিরিয়ে দেন, আমরা নই, তোমার গুরু তোমার অপেক্ষায় আছেন, কালে দেখা হবে। শ্রীরামপুরে নয়, দেখা হল কাশীতেই। প্রথম সাক্ষাতে দুজনেই ভাবস্থ। স্বয়ং গুরু শিষ্যকে বলেছিলেন, আমি তোমাকে আমার নিঃস্বার্থ ভালবাসা দিলাম, আর তুমি যদি আমাকেও কখনও ভগবদ্বিচ্যুত হতে দেখো, তা হলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে, প্রতিজ্ঞা করো!
*#শ্রীরামপুর আশ্রমে কঠোরে-কোমলে গুরু তাঁকে শেখান আশ্রমের কাজ, সঙ্গে ধ্যান, সাধনা। বুঝিয়ে দেন গীতার ‘সংপ্রেক্ষ্য নাসিকাগ্রং’-এর আসল অর্থ: নাসিকাগ্রং মানে মোটেই ‘নাকের ডগা’ নয়, সাধুকে ওখানে দৃষ্টি স্থির করে ট্যারা হওয়ার উপদেশ দেওয়া হচ্ছে না। ‘নাসিকাগ্রং’ অর্থ নাসামূল, দুই ভ্রুর মধ্যস্থল— আধ্যাত্মিক দৃষ্টির স্থান। এই সন্ন্যাসী বলেন, সাধু মানে বোবা, অকর্মণ্য হয়ে থাকা নয়, অন্যকেও উঠিয়ে আনতে হবে, দিতে হবে নিজের পাওয়া আনন্দের স্বাদ। মুকুন্দ সারা দিন আশ্রমে পড়ে থাকতেন, গুরুই তাঁকে বলেন পড়াশোনা করতে হবে, আই এ, বি এ পাশ করতে হবে। কেন? কারণ তাঁকে পশ্চিমে যেতে হবে, ওখানকার মানুষ সাধুকে শিক্ষিত না দেখলে তাঁর কথা শুনবে কেন?
চলবে........
✍️ ব্যাখ্যাঃ রতন কর্মকার +8801715982155 (whatsapp)

0 Comments