যোগানন্দের_বিশ্বজয় (১ম পর্ব)
১৯৫২ সালের ৭ই মার্চ এই যোগী আমেরিকায় যখন দেহত্যাগ করেন তখন ভারতবর্ষ থেকে প্রতিনিধি পাঠানো এবং আরও কিছু প্রশাসনিক কারণে তাঁর মরদেহ সমাধিস্থ করতে যথেষ্ট দেরি হয়ে যায়। ২০ দিন তাঁর মরদেহ কোন রাসায়নিকের ব্যবহার ছাড়াই শায়িত ছিল এবং অবশেষে ২৭শে মার্চ তাঁর দেহ যখন কফিন-বন্দী করা হয় তখনও সেটি ছিল সম্পূর্ণ সজীব ও অবিকৃত। এটা একটা অভূতপূর্ব এবং আশ্চর্য জনক ঘটনা। এর ফটোগ্রাফও রয়েছে। সেখানে যোগানন্দের মরদেহ যারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছেন সে চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টের কিয়দংশ এখানে উধৃত করছি:
“…… The physical appearance of Paramhansa Yogananda on March 27th, just before the bronze cover of the casket was put in position, was the same as it had been on March 7th. He looked on March 27th as fresh and as unravaged by decay as he had looked on the night of his death. On March 27th there was no reason to say that his body had suffered any visible physical disintegration at all. For these reasons we state again that the case of Paramhansa Yogananda is unique in our experience.”
*#ফিরে যাওয়া যাক আরও পিছনে.....
মহাসমুদ্রের ঢেউ কেটে এগিয়ে চলেছে একটা জাহাজ। ‘সিটি অব স্পার্টা’। ভারতবর্ষ থেকে যাত্রা শুরু, গন্তব্য আমেরিকার বোস্টন বন্দর। ১৯২০ সালের অগস্ট, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভারত থেকে আমেরিকার পথে সেটাই প্রথম যাত্রীবাহী জাহাজ।
*#জাহাজে দেশি-বিদেশি অসংখ্য যাত্রীর ভিড়ে আছেন এক সন্ন্যাসীও। বয়স সাতাশ, উজ্জ্বল মুখ। সহযাত্রীদের এক জন আবিষ্কার করলেন, তরুণ সন্ন্যাসীর গন্তব্য বস্টনের ‘ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব রিলিজিয়াস লিবার্যালস ইন আমেরিকা’, সেখানে তিনি ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এত বড় অনুষ্ঠানে তো খানকয়েক বক্তৃতা দিতেই হবে, এখনই, এই সুদীর্ঘ জলযাত্রায় একটু মকসো করে নিলে কেমন হয়? সহযাত্রীটি চেপে ধরলেন, রটিয়েও দিলেন জাহাজে, সন্ন্যাসী রাতে বক্তৃতা দেবেন, বিষয় ‘জীবনযুদ্ধ ও তা জয়ের উপায়’।
চলবে......
✍️ ব্যাখ্যাঃ রতন কর্মকার +8801715982155 (whatsapp)

0 Comments